ঝিনাইগাতীতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ৪, বিএনপির ২, পিছিয়ে নেই জাসদও


admin প্রকাশের সময় : এপ্রিল ৪, ২০২৪, ৮:১৪ পূর্বাহ্ন /
ঝিনাইগাতীতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ৪, বিএনপির ২, পিছিয়ে নেই জাসদও

ঝিনাইগাতীতে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী হওয়া বেশ জোরেশোরেই বইতে শুরু করেছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন। দোয়া ও সমর্থন চেয়ে লাগানো পোস্টারে পোস্টেরে ছেয়ে গেছে পুরো উপজেলা। নির্বান কমিশনারের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী প্রথম ধাপে ঝিনাইগাতী উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিলের তারিখ ১৫ এপ্রিল। যাচাই- বাছাই ১৭ এপ্রিল। প্রতিক বরাদ্দ ২৩ এপ্রিল। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৮ মে। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থী ও সমর্থকরা মাঠে নেমে পড়েছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। চায়ের দোকান ও আড্ডাখানাগুলোতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা। কার জেতার সম্ভাবনা আছে কার নেই এ নিয়ে ভোটারদের মাঝেও চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিগত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রভাব পরতে পরে বলে ইতিমধ্যেই সাধারন ভোটারদের মুখে মুখে শোনা যাচ্ছে। ভোটাররা জানান,স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও ঝিনাইগাতী উপজেলার মাটি থেকে বড়ো কোন রাজনৈতিক দল এমপি প্রার্থী মনোনয়ন দেয়নি। ফলে এ উপজেলা থেকে এমপি নির্বাচিত হয়নি। এ যাবত যতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে শ্রীবরদী উপজেলা থেকে। এবারের সংসদ নির্বাচনে ও আওয়ামী লীগ শ্রীবরদী উপজেলা থেকেই প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। এতে এমপির স্বাদ পায়নি ঝিনাইগাতী উপজেলা বাসী। ফলে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইগাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম আব্দুল্লাহেল ওয়ারেজ নাইম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এতে ঝিনাইগাতী উপজেলায় আঞ্চলিকতার ইস্যু সৃষ্টি হলেও আওয়ামী লীগের যেসব নেতা আঞ্চলিকতার পক্ষে কাজ না করে শ্রীবরদী উপজেলার এমপি প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচন করেছেন এবং সেসব নেতা যারা উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী হতে ইচ্ছুক তাদের ভোট না দেয়ার ইস্যু সৃষ্টি হতে শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই ভোটারদের মাঝে। এবারের উপজেলা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী হতে ইচ্ছুক যারা জনসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা হলেন,দুই বারের সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বিএনপি সমর্থীত স্বতন্ত্র প্রার্থী আমিনুল ইসলাম বাদশা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম আমিরুজ্জামান বেলু, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মোঃ আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায়, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ, বিএনপি সমর্থীত রাংটিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মঞ্জুরুল হক, উপজেলা জাসদের সাধারন সম্পাদক একেএম ছামেদুল হক।

পুরুষ ভাইসঃ- চেয়ারম্যানদের মধ্যে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে, তারা হলেন, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন, যুবলীগ নেতা রকিবুল ইসলাম রুকন, মোঃ কাদের মন্ডল, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জহুরুল ইসলাম মেহেদী, মোঃ কামরুজ্জামান, ফজলুল করিম, মান্নান মিয়া, শাহ আলম, হাফেজ মৌলানা হারুন অর রশিদ মোল্লা, মোনায়েম হোসেন মনির।
মহিলা ভাইসঃ- চেয়ারম্যানদের মধ্যে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন, বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লাইলী বেগম, জেসমিন আক্তার, শেফালী বেগম, আকলিমা খাতুন, আঞ্জুমানারা, সুফিয়া বেগম। ইতিমধ্যেই তারা নানাভাবে প্রার্থিতা জানান দিয়ে জনসংযোগে মাঠে নেমেছেন। জাসদের সাধারণ সম্পাদক একেএম ছামেদুল হকের বাড়ি হাতিবান্ধা ইউনিয়নে। তার বাড়ির দক্ষিণে মালিঝিকান্দা ইউনিয়নসহ দুইটি ইউনিয়নে তিনি আঞ্চলিকতার ইস্যু সৃষ্টির চেষ্টায় আছেন। অপরদিকে গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই কাকতালীয়ভাবে উপজেলা নির্বাচনের মাঠ তৈরি হয়েছে দুই বারের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশার পক্ষে।